ল্যাপটপ ক্রয় এর সময় কি কি বিষয় খেয়াল রাখা উচিত।

কোন ল্যাপটপটি কিনবো ? কোন ল্যাপটপটি ক্রয় করলে তা থেকে আমি সর্বোচ্চ সুবিধা পাব ? এক কথায় ভ্যালু ফর মানি। আসলে প্রযুক্তি উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আজকের বাজারে নিজের জন্য বাজেট সেরা একটি ল্যাপটপ খুঁজে বের করা সত্যিই কষ্টসাধ্য। আজকের এই পোস্টটি থেকে আমরা জানবো একটি ল্যাপটপ ক্রয় এর সময় কি কি বিষয় খেয়াল রাখা উচিত।

কাজের ধরন নির্বাচন

ল্যাপটপ ক্রয়ের সময় আমাদের প্রথম যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে তা হল আমরা কি কাজের জন্য ল্যাপটপটি ব্যবহার করতে চাচ্ছি অর্থাৎ আমাদেরকে প্রথমে কাজের ধরন নির্বাচন করতে হবে অবশ্য যদি বাজেটের কোন সমস্যা না থাকে তাহলে অন্য কথা। যেমন; গান শোনা, ইন্টারনেট ব্রাউজ করা, মুভি দেখা, লেখালেখি করা ইত্যাদি ছোটখাটো কাজের জন্য আমাদের খুব উচ্চ কনফিগারেশনের ল্যাপটপ প্রয়োজন হবে না। এমনকি খুব নিম্ন কনফিগারেশনের ল্যাপটপ ব্যবহার করে প্রোগ্রামিং এবং গ্রাফিক্স ডিজাইন এর বেসিক কাজগুলো শিখে ফেলা যায়। তবে প্রোগ্রামিং বা গ্রাফিক্স ডিজাইনের অ্যাডভান্সড কাজ অথবা কোন উচ্চ রেজুলেশনের ভিডিও এডিটিং করার জন্য অবশ্যই উচ্চ কনফিগারেশনের ল্যাপটপ ক্রয় করা প্রয়োজন । সুতরাং ল্যাপটপ ক্রয়ের ক্ষেত্রে কাজের ধরন নির্বাচন করাটা অত্যন্ত জরুরী।

ল্যাপটপের আকার ও ওজন 

ল্যাপটপের আকার ও ওজন নির্বাচন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেকের কাছে ডিসপ্লে বড় হলে সুবিধা মনে হয় আবার অনেকের কাছে ডিসপ্লে ছোট হলে। তবে একটি কথা এখানে বলে রাখি, আপনি ল্যাপটপ ক্রয় করবেন সেটি অবশ্যই বাসায় বসে টেবিলের উপরে রেখে ব্যবহার করার জন্য নয়। আপনাকে ল্যাপটপটি বহন করতে হবে সুতরাং বুঝতেই পারছেন ল্যাপটপের আকারটি খুব বড় না হয়ে মাঝামাঝি কোন আকার হলেই বেশি ভালো হয়। একটি ল্যাপটপ এর ওজন এক কেজি থেকে ১ কেজি ২০০ গ্রাম বা ১ কেজি ৩০০ গ্রাম এর মধ্যে থাকাটাই উত্তম। অনেকে তো অনেক ছোট ল্যাপটপ পছন্দ করে বহনের সুবিধার জন্য। আমার ব্যক্তিগতভাবে ছোট ল্যাপটপই পছন্দ কারণ এটি রাখতেও জায়গা কম লাগে আবার এটি সহজে বহনযোগ্য। আমার মতে ল্যাপটপের আকার সর্বোচ্চ ১৫ ইঞ্চি হওয়া উচিত। এর থেকে বড় হলে আসলে ডেক্সটপ কেনাই ভালো।

টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে

আজকের দিনে ল্যাপটপ, ট্যাব, মোবাইল, টেলিভিশন, মনিটর যাই হোক না কেন সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফিচারটি হলো এদের ডিসপ্লে আর সেটি যদি হয় টাচস্ক্রিন তাহলে তো কথাই নেই। অনেক ল্যাপটপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এখন টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে সম্বলিত ল্যাপটপ বাজারে আনছে এবং এই ল্যাপটপগুলো তুলনামূলক ব্যয়বহুল। তবে যারা টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে অনেক পছন্দ করেন তাদের জন্য এটি খুব আকর্ষণীয় একটি ফিচার। অনেক ল্যাপটপে স্ক্রিনটি ল্যাপটপ সেট থেকে খুলে আলাদা করে ব্যবহার করা যায় যা প্রোডাক্ট এর মূল্য আরও বাড়িয়ে দেয়। টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে সম্বলিত ল্যাপটপ কিনলে ১৫ ইঞ্চির ভেতরে কেনাটায় ভালো।

ডিসপ্লে রেজুলেশন

রেজুলেশন যত বেশি হবে ডিসপ্লেটি দেখতে ততো ভালো লাগবে। কোন কাজ করার সময় আমাদের দীর্ঘ সময় ধরে মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় সে ক্ষেত্রে ডিসপ্লে ভালো না হলে অবশ্যই বেশীক্ষণ তাঁকিয়ে থাকতে ভালো না লাগারই কথা। সর্বনিম্ন ১০৮০ এর নিচে রেজুলেশন সম্বলিত ডিসপ্লে না হওয়াটাই ভালো বেশি হলে সমস্যা নেই। এইচডি ডিসপ্লে হলে দেখতেও ভাল লাগবে এবং কাজ করেও অনেক আনন্দ পাওয়া যাবে।

ও এস (অপারেটিং সিস্টেম)

জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমগুলো হলো,

• ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম

• উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম

অপারেটিং সিস্টেম, কম্পিউটারের প্রাণ। আমরা ছোটবেলা থেকেই পাইরেটেড জিনিসপত্র ব্যবহার করে অভ্যস্ত। কিভাবে বা কত কম খরচে বা ফ্রিতে কিভাবে কোন কিছু সংগ্রহ করা যায় এদিকে আমাদের আগ্রহ বেশি থাকে। অথচ পাইরেটেড সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করে আমরা কখনোই সর্বোচ্চ সুবিধা প্রাপ্তির আশা করতে পারি না। তবে দাম একটু বেশি হলেও আমাদেরকে অবশ্যই আসল অপারেটিং সিস্টেম ক্রয় করা সমীচীন হবে এবং এই ক্ষেত্রে আমরা সকল ধরনের আপডেট সময়মতো পেয়ে যাব যা আমাদের কম্পিউটারের উচ্চগতি সবসময় নিয়ন্ত্রণে রাখবে। এ বিষয়ে আরেকটু বলি যদি আপনি একদম প্রাইভেট কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে চান তাহলে সবচেয়ে ভালো হবে ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম। অপরদিকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ওপেনসোর্স। যারা প্রোগ্রামিং বা হ্যাকিং-এ ধরনের কাজ করতে চান তাদের জন্য লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ভালো হবে।

ল্যাপটপের বডি

ল্যাপটপের বডি সাধারণত প্লাস্টিকের অথবা ধাতব হতে পারে। প্লাস্টিক বডিগুলো শক্তিশালী হয় না অপরদিকে ধাতবগুলো অনেক শক্তিশালী হয়ে থাকে। প্লাস্টিক বডির ল্যাপটপগুলো আঘাতে ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে কিন্তু ধাতব বডির ল্যাপটপগুলো আঘাতে ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। দামের ক্ষেত্রেও এদের তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। সাধারণত প্লাস্টিক বডির ল্যাপটপের দাম ধাতব বডির ল্যাপটপের দাম থেকে কম হয়ে থাকে। তবে ল্যাপটপটি যদি সারাক্ষণ বাহিরে নিয়ে ঘুরাঘুরির জন্য কেনা হয়ে থাকে তাহলে ধাতব বডি ল্যাপটপ কেনা টাই সর্বোত্তম হবে।

হার্ড ড্রাইভ

একটি ল্যাপটপ এ কতটুকু তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে তার পুরোটাই নির্ভর করে হার্ড ড্রাইভের উপরে। একটা সময় ছিল যখন ৫০ জিবি হার্ডডিস্ক কেনার জন্য হয়তো পুরো মাসের স্যালারি টাই চলে যেত। কিন্তু এখন অনেক কম দামে অনেক বেশি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডড্রাইভ কিনতে পারি যা আমাদের সাধ্যের মধ্যে। বাজারে এখন ফ্ল্যাশ ভিত্তিক হার্ড ড্রাইভ এসএসডি পাওয়া যাচ্ছে, যা অনেক দ্রুত গতি সম্পন্ন। গতির ব্যাপারটা আমাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে কারণ গেম খেলা বা কোনো কাজ করার সময় আপনি অবশ্যই চাইবেন না ল্যাপটপ এ কাজগুলো ধীরগতিসম্পন্ন হোক। সাধারণত ১৫.৬ ইঞ্চির ল্যাপটপগুলোতে অপটিক্যাল ড্রাইভ গুলো দেখা যায়।

প্রসেসর

কম্পিউটারের জগতে প্রসেসর সবচেয়ে অনন্য একটি বিষয়। প্রসেসরে ক্ষমতার উপর নির্ভর করে একটি কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা কিরূপ হবে। বেশিরভাগ মানুষই কম্পিউটার ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রসেসর এর ব্যাপারটি চিন্তা করে না। বাজারে ডুয়েলকোর single-core এবং অনেক ক্যাটাগরির প্রসেসর পাওয়া যায়। বাজারের সেরা প্রসেসর এখন কোর আই নাইন যা অনেক ব্যয়বহুল এছাড়াও ডুয়েল কোর, কোর টু ডু, কোর আই থ্রি, কোর আই ফাইভ, কোর আই সেভেন ইত্যাদি প্রসেসর পাওয়া যায় এবং এদের মূল্যের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন। আমি প্রথমে যে কথাটি বলেছিলাম তা আপনাদের আশাকরি মনে আছে সবার আগে আমাদের নির্বাচন করা উচিত কাজের ধরন এবং সেই কাজের ধরনের উপর নির্ভর করে আমাদেরকে প্রসেসর সিলেকশন করা উচিত। অনেক এডভান্স লেভেলের কোন কাজ করতে গেলে আমাদেরকে অবশ্যই কোরআই ফাইভ কোর আই সেভেন বা কোর আই নাইন সম্বলিত প্রসেসর সম্বলিত ল্যাপটপ ক্রয় করতে হবে। অন্যথায় শুধু অফিশিয়াল কাজের জন্য সাধারন মানের কোন প্রসেসর হলেই চলবে।

ব্যাটারি ব্যাকআপ

আপনার ল্যাপটপ ক্রয় করবেন নিশ্চয় ঘরে বসে বসে কাজ করার জন্য নয়। ভ্রমণের সময় অবশ্য এরই সাথে রাখতে হবে তারমানে ব্যাটারি ব্যাকআপ তো অবশ্যই ভালো হতে হবে। সাধারণত ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ব্যাকআপ থাকবে এমন ব্যাটারি সম্বলিত ল্যাপটপ ক্রয় করাটাই উত্তম। তাই ল্যাপটপ ক্রয়ের সময় এর ব্যাটারি ব্যাকআপ এর বিষয়গুলো খুব ভালো করে জেনে নিতে হবে।

র্যাম(RAM)

দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটারের জন্য র্যাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। র্যাম বেশি হলে কম্পিউটার অনেক দ্রুত গতিতে কাজ করতে সক্ষম। ৪ জিবির নীচে র্যাম ক্রয় করা কখনই উচিত নয়। ভালো সাপোর্ট পেতে চাইলে অবশ্যই DDR4 র্যাম কিনবেন।

ক্যামেরা

প্রতিটি ল্যাপটপের সামনে সাধারণত একটি ক্যামেরা সেটআপ থাকে যা ভিডিও কলে কথা বলা থেকে শুরু করে অন্যান্য কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। এই ক্যামেরার রেজুলেশন ভালো না হলে অপর পাশ থেকে পরিষ্কার ভিডিও দেখা সম্ভব না। এইজন্য ল্যাপটপের ক্যামেরা টি এইচডি কোয়ালিটির কেনা উচিত এবং ক্যামেরার মিনিমাম রেজুলেশন ১০৮০ হলে ভালো হয়।

কীবোর্ড 

ল্যাপটপের কিবোর্ড বেশি ব্যবহার করলে এটা নষ্ট হয়ে যেতে পারে এই ধারণা আমাদের সবার মধ্যেই আছে যার জন্য আমরা বেশিরভাগ সময় আলাদা করে কী-বোর্ড কিনে থাকি। কিন্তু ভ্রমণের সময় ল্যাপটপের সাথে অতিরিক্ত কিবোর্ড বহন করা বেশ ঝামেলার কাজ। এজন্য আমাদেরকে দেখে শুনে একটি ভালো কিবোর্ডযুক্ত ল্যাপটপ ক্রয় করা উচিত। কি-বোর্ডের বাটনগুলোর একটি থেকে আরেকটি দূরত্ব একটু বেশি হলে টাইপ করতে সুবিধা হয়। অপরদিকে বাটনগুলো যদি অনেক কাছাকাছি হয় তাহলে টাইপ করতে বেশ সমস্যা হবে। আসলে যে ধরণের কিবোর্ড স্বাচ্ছন্দের সাথে ব্যবহার করা যায় অবশ্যই সেই কী-বোর্ড সম্বলিত ল্যাপটপটি ক্রয় করা উচিত। কী-বোর্ডে ব্যাকলিট আছে কিনা সেটি অবশ্যই দেখে নেওয়া উচিত কারণ ব্যাকলিট থাকলে কী-বোর্ড গুলোতে অন্ধকারেও ল্যাপটপের বোতামগুলো দেখা সম্ভব হয়। বর্তমানে মাঝারি দামের ল্যাপটপেও ব্যাকলিট সম্বলিত কী-বোর্ডের দেখা পাওয়া যাচ্ছে।

টাচপ্যাড

ল্যাপটপের কী-বোর্ডের পাশাপাশি টাচপ্যাডটিও অনেক গুরুত্বের সাথে দেখে নেয়া উচিত। কিছু কিছু ল্যাপটপের টাচপ্যাডে কোন বাটন থাকে না আবার কিছু কিছু ল্যাপটপের থাকে। কিছু ল্যাপটপের টাচপ্যাডের ঠিক নিচে বাটন থাকে অর্থাৎ টাচপ্যাডের ডানপাশ অথবা বামপাশে চাপ দিলে সেই বাটনগুলো কাজ করে। আবার কিছু ল্যাপটপের বাটনগুলো থাকে টাচপ্যাডের ঠিক নীচের দিকে। আমার কাছে মনে হয় টাচপ্যাডের নিচের দিকে বাটন থাকলে সেটি বেশি কার্যকরী হয় তাই কী-বোর্ডে এমন টাচপ্যাড দেখে নেওয়া উচিত যে টাচপ্যাডের নিচের দিকে বাটনগুলো আছে।

অন্যান্য

ল্যাপটপ ক্রয়ের সময় আরো যে বিষয়গুলোর ওপর খেয়াল রাখা প্রয়োজন সেগুলো সম্পর্কে জানা যাক:

• ইউএসবি পোর্ট: ল্যাপটপে একের অধিক ইউএসবি পোর্ট আছে কিনা ভাল করে দেখে নিতে হবে এবং এই ইউএসবি পোর্টের ভার্শন হতে হবে ইউ.এস.বি ৩.০ বা এর থেকে আপগ্রেড।

• ডিভিডি রাইটার: আসলে প্রযুক্তির এই যুগে আমরা ডিভিডি ব্যবহার করা প্রায় ভুলেই গেছে কিন্তু আমাদের ল্যাপটপের ডিভিডি ড্রাইভ টি অবশ্যই থাকতে হবে। এটা আমাদের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করতে পারে যেমন উইন্ডোজ ইনস্টল করা থেকে শুরু করে অন্যান্য আরো অনেক কাজ।

• এইচডিএমআই পোর্ট: ল্যাপটপের স্ক্রিন মনিটরে চালানোর জন্য এইচডিএমআই পোর্ট অবশ্যই প্রয়োজন। এটির মাধ্যমে একাধিক মনিটর একসাথে সংযুক্ত রাখা যায়। একের অধিক এইচডিএমআই পোর্ট থাকলে আমরা কয়েকটি মনিটর সংযুক্ত করতে পারব যা আমাদের দৈনন্দিন অনেক কাজ বেশ সহজ করে দেয়।

উপরোক্ত বিষয়গুলো ল্যাপটপ ক্রয়ের সময় বেশ গুরুত্বের সাথে খেয়াল রাখা প্রয়োজন এছাড়াও ভিজিএ পোর্ট, স্পিকার বা হেডফোনের জন্য পোর্ট, রাউটারের জন্য পোর্ট ইত্যাদি খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

ব্র্যান্ড নির্বাচন

আমার মনে হয় আমি ল্যাপটপ ক্রয় এর সময় সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটি ফেস করেছি সেটি হল কোন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপটি ক্রয় করা ভালো হবে অর্থাৎ ল্যাপটপের ব্র্যান্ড নির্ধারণ করা সবচেয়ে কষ্টসাধ্য একটি বিষয়। এ ক্ষেত্রে সাধারণত আমরা কোন বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন বা আশেপাশের কেউ কোন ল্যাপটপটি ব্যবহার করছে এবং সেটি থেকে সে কেমন সার্ভিস পাচ্ছে সেই বিষয়টির উপরে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকি। আমি আজ আপনাদের সাথে সেরা দশটি ল্যাপটপ নির্মাতা ব্র্যান্ডের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো।

• অ্যাপল (Apple)

• এইচপি (HP)

• লেনোভো (Lenovo)

• ডেল (Dell)

• এসার (Acer)

• আসুস (Asus)

• এম এস আই (MSI)

• মাইক্রোসফট সারফেস (Microsoft surface)

• রেজার (Razer)

• স্যামসাং (Samsung)

এ ছাড়াও বাজারে আরো বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ রয়েছে তবে এই দশটি ব্র্যান্ডই বাজারের সেরা ল্যাপটপ ব্র্যান্ড হিসেবে বিবেচিত হয় এবং অ্যাপল থাকছে এই তালিকার শীর্ষে। এই ব্র্যান্ডগুলোর যেকোনো একটি আপনি নিঃসন্দেহে পছন্দ করতে পারেন। এই ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে কোনটি সেরা সেটি নিয়ে আরেকটি পোস্টে আলোচনা করা হবে।

সবশেষে বলতে পারি উপরোক্ত বিষয়গুলো ল্যাপটপ ক্রয় এর সময় ভালোভাবে নজরদারিতে রাখলে আপনি আপনার জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা সম্পন্ন একটি ল্যাপটপ ক্রয় করতে পারবেন এবং এটি আপনার কষ্ট অর্জিত অর্থ সঞ্চয়ে খুব ভালো একটি ভূমিকা রাখবে। এরপরেও যদি আপনাদের আরো কিছু জানার থাকে তাহলে সেটি অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। আমরা শীঘ্রই আপনাদের কমেন্টের রিপ্লাই করব।

Leave a Comment